ঘাটতি পূরণে তৈরি হচ্ছেন টাইগার পেসাররা

উইকেট যেমনই হোক, টেস্টে ভালো ফলাফলের জন্য পেসারদের দিকে তাকিয়ে থাকতেই হয়। কারণ নতুন বলে উইকেট নিতে না পারলে ব্যাকফুটে চলে যায় দল। অথচ গেলো কয়েকটি সিরিজে একেবারে নিষ্প্রভ রাহি-এবাদত-আল আমিনরা। ম্যাচ অনুশীলনের ঘাটতি থাকলেও মিরপুরের প্রস্তুতি পর্ব আর লঙ্কা ক্যাম্পের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন আল আমিন।

মিরপুরে গেলো একমাসে একই চিত্র, কেউ নেট থেকে বের হচ্ছেন তো কেউ ঢুকছেন। একাডেমি, জিমেও ক্রিকেটারদের বিচরণ সীমিত। ব্যক্তিগত পর্ব শেষ করে শুরু হয়েছে ছোট ছোট গ্রুপে প্রস্তুতি। তাতে অবশ্য চোখে পড়ার মতো কোনো পরিবর্তন নেই।

বাংলাদেশ যখন পরিস্থিতির সাথে ধীর গতিতে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টায় সেখানে প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা পুরোদমে প্রস্তুতি সারছে। জুন থেকেই শুরু করেছে ক্যাম্প। প্রিমিয়ার লিগেও খেলে ফেলেছেন চান্দিমাল, ম্যাথিউসরা।

 

পরিসংখ্যান তো আছেই, লঙ্কান ক্রিকেটারদের প্রস্ততি ও পারফর্মেন্স ভয়ের কারণ হতে পারে টাইগারদের। ঘরোয়াতে সবশেষ চার ম্যাচে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছেন চান্দিমাল। খেলেছেন ৩৫৪ রানের ইনিংস। একটা সেঞ্চুরির সাথে আছে দুই ফিফটিও। কুশাল মেন্ডিস ডাবল’সহ করেছেন তিনটি সেঞ্চুরি। ম্যাথিউস করেছেন একশতক ও এক ফিফটি।

যে মির্ডল অর্ডারে সমস্যা ছিল সেখানে শক্তি বাড়ছে, সাথে টাইগার বোলারদের দায়িত্বও বাড়ছে। বিশেষ করে টেস্টে পেসাররা আর্লি ব্রেকথ্রু না দিলে লঙ্কানদের সামলানো মুশকিল হবে।

শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে তিন বছর দলের বাইরে থাকতে হয়েছে। পেইস ডিপার্টমেন্টে শক্তি কমে যাওয়ায় পরিকল্পনাতে এসেছেন আল আমিন হোসেন। নতুন শুরুর অধ্যায়ে ছয় টি-টোয়েন্টিতে চার উইকেট নিয়েছেন। একটি করে টেস্ট ও ওয়ানডেতে উইকেট সংখ্যা তিন ও এক। শ্রীলঙ্কা মিশনের জন্য স্কিলের চেয়ে ফিটনেসেই বেশি গুরুত্ব এই পেসারের।
ঘরের মাঠে ২০১৪তে লঙ্কানদের বিপক্ষে দুই টেস্টেই খেলেছেন আল আমিন। তিন ইসিংসে ৬৪ ওভার বল করে পেয়েছিলেন মাত্র দুই উইকেট।